কাশ্মীর ভ্রমণ বিদেশ ভ্রমণের সময় চমৎকার অভিজ্ঞতা পেতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক ট্যুর প্ল্যান এবং স্থানীয় সমর্থন। আমরা মূলত পরিবারের জন্য ট্যুর আয়োজন করে থাকে এবং নারীদের সুবিধা-অসুবিধা বিশেষভাবে বিবেচনায় নেয়। একইভাবে, কর্পোরেট ট্যুরের ক্ষেত্রেও আমরা দেশের শীর্ষস্থানীয় মাল্টিন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাস অর্জন করেছি। গন্তব্য: কাশ্মীর ভ্রমণ ভ্রমণের তারিখ: নূন্যতম ২ জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুরের ব্যবস্থা করা যাবে। ভ্রমণ খরচ (প্রাইভেট ট্যুর): জনপ্রতি ৩০,০০০ টাকা (শেয়ারিং/ফ্যামিলি রুম)। উপরোক্ত খরচের সাথে এয়ার টিকিটের খরচ যোগ হবে। কলকাতা – শ্রীনগর – কলকাতা এয়ার টিকিটের সম্ভাব্য মূল্য প্রতি ব্যক্তির জন্য ২১,০০০ টাকা। খুব কাছাকাছি সময়ে বুকিং করলে টিকিটের খরচ বেড়ে যেতে পারে। ভ্রমণের স্থানসমূহ: • শ্রীনগর • গুলমার্গ • সোনমার্গ • পেহেলগ্রাম • চন্দনওয়ারি • বেতাব ভ্যালি • আরু ভ্যালি • ডাল লেক • লিডার নদী • মুঘল গার্ডেন (হাউজবোটে রাত্রি যাপন) কাশ্মীর ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা: কাশ্মীর ট্যুর শুরু হবে শ্রীনগর এয়ারপোর্ট থেকে। শ্রীনগর পৌঁছানোর জন্য এয়ার টিকিটের ব্যবস্থা আমরা করবো। • ১ম দিন: শ্রীনগর এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি হোটেলে চলে যাবো এবং রাতটা শ্রীনগরে অবস্থান করবো। এদিন পুরো বিকেলটা আমরা নিজেদের মতো ঘুরে কাটাবো। • ২য় দিন: আমাদের গন্তব্য গুলমার্গ। বরফের রাজ্যে সারাদিন কাটিয়ে রাতে শ্রীনগর ফিরে আসবো। • ৩য় দিন: ব্রেকফাস্টের পর সোনমার্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা। রাতে শ্রীনগর অবস্থান। • ৪র্থ দিন: পেহেল গ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা। সাইটসিইং এর মধ্যে থাকবে বেতাব ভ্যালি, আরু ভ্যালি, চন্দনওয়ারি, এবং লিডার নদী। সারাদিন ঘুরে রাতে পেহেল গ্রামেই অবস্থান। • ৫ম দিন: পেহেলগ্রাম থেকে শ্রীনগরে ফিরে আসবো। শ্রীনগরের দর্শনীয় স্থানগুলো পরিদর্শন করবো, যেমন মুঘল গার্ডেন, পরি মহল, ডাল লেকে সার্কেল করে শঙ্করাচার্য মন্দিরের চূড়া থেকে শ্রীনগরের বার্ডস আই ভিউ। • ৬ষ্ঠ দিন: শ্রীনগর থেকে ফ্লাইটে কলকাতা অথবা ঢাকা ফিরে আসবো। কনফার্ম করার ডেডলাইন: আগে থেকে ট্রিপ বুক করলে এয়ার টিকিট নির্দিষ্ট দামে পাওয়া যাবে, তবে কাছাকাছি সময়ে বুকিং করলে টিকিটের দাম বাড়তে পারে। কাশ্মীর ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে: • কাশ্মীরে অবস্থানকালীন প্রতিদিনের ব্রেকফাস্ট ও ডিনার। • সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ। • ভিসা প্রসেসিং (ভিসা ফি ছাড়া)। কাশ্মীর ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে না: • ভিসা ফি। • ট্রাভেল ট্যাক্স। • ক্যাবল কার বা ঘোড়ায় চড়ার খরচ। • উল্লেখ করা হয়নি এমন কোনো খরচ। কনফার্ম করার আগে অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে: • ভারতের যেকোনো পোর্ট দিয়ে ভিসা গ্রহণ করা যাবে। • যদি ভিসা না থাকে, তবে আমরা ভিসা প্রসেসিং করবো, এবং এতে কোনো বাড়তি সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে না। • ট্যুরে হিডেন চার্জ নেই। • আগে বুকিং করলে এয়ার টিকিটের ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে।